সাপ্তাহিক সবুজ প্রান্ত

৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নবাসীর পাশে আমৃত্যু সেবক হয়ে থাকতে চান,হাজী মোঃ সবুজ আলম





মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ:

জীবে দয়া করে যে জন,সে জন সেবিছে ঈশ্বর বাংলা ভাষার এই প্রবাদটিকে সামনে রেখে জন দরদী সমাজসেবীদের পথ চলা। অতীতে এ দেশ তথা বিশ্বের বুকে যত সমাজসেবী ও জনদরদী ছিলেন তাদের জীবন পর্যালোচনা করলে মুলতঃ এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা বলে গেছেন সূর্য আমি ঐ দিগন্তে হারাবো,অস্তমিত হবো,তবুও ধরণীর বুকে চিহ্ন রেখে যাব:তার এই উক্তিকেই অনেকে মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। তাইতো ধরণীর তরে কেউ সামাজিক,কেউ রাজনৈতিক,কেউ অর্থনৈতিক,কেউ ধার্মিক, কেউ সমাজসেবা,কেউবা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রেখে যাচ্ছেন তাদের স্ব-স্ব কর্ম পথিকৃত।

এমনই একজন সমাজ সেবক যিনি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সেই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরকে মাথায় রেখে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রেখে যাবার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে। তেমনি একজন পরোপকারী,ন্যায়পরায়ণ,সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান,বিশিষ্ট সমাজসেবক,সাবেক ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তাহিরপুর উপজেলা বিএনপি আহব্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বড়ছড়া কয়লা আমদানি কারক গ্ৰুপের সাধারণ সম্পাদক, হাজী মোঃ সবুজ আলম।

একজন সমাজ সেবক হিসেবে ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নসহ সারা উপজেলায়,তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করছেন। তিনি একজন সৎ,ন্যায়,নীতিবান,উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে সর্বোপরিচিত। তরুণ বয়স 

 থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তিত্ব হিসেবে নই সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন,যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম।

এলাকায় যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী,তেমনি একজন সমাজ সেবক হিসাবে হাজী মোঃ সবুজ আলম,সমাজে সমধিক পরিচিত। সন্ত্রাস চাঁদাবাজ,দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ প্রচ্ছন্নতায় তিনি সমাজ সেবায় এক উজ্জ্বল তারকা। তিনি হাটি হাটি পা পা করে নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।

তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বর্ণীতার প্রিয় মানুষ,গরীব দুঃখী সহ সমাজের সাধারন মানুষের সঙ্গী। অসহায় দরিদ্র মানুষের সহায়ক,৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের অসহায় ছিন্নমুলদের আশ্রয় দাতা। তিনি তাদেরকে মনে প্রানে ভালো বাসেন।

তাহিরপুর উপজেলার ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের এলাকার সচেতন মহলের মুখ থেকে হাজী মোঃ সবুজ আলমের বেশ সুনাম শোনা যায়। তিনি সব সময় তার এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। তার মতে,আমি সাড়া জীবন সাধারন মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যাবো। এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ,চুরি,ডাকাতি,মাদক,নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার।

হাজী মোঃ সবুজ আলম,গরীব,অসহায় মানুষ গুলোর পাশের ছিলেন তিনি এখনো আছেন। প্রতিদিন দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে মানুষের খোঁজ খবর নেন।রাস্তাঘাট,মসজিদ মাদ্রাসা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের উন্নয়নের সহযোগিতা সাধ্য অনুযায়ী করে যাচ্ছেন তিনি।

বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী মোঃ সবুজ আলম,বলেন,গরিব-অসহায় মানুষকে দান-সহযোগিতা করা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। গরিব-অসহায় এবং কর্মক্ষম-ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিকতার পরিচয়ই নয়,অসহায়দের দান-সহযোগিতায় রয়েছে এমন সওয়াব,যার মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও করুণা বর্ষিত হয়। 

আমার সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল মানুষের পাশে দাঁড়ানো,তাদের দুঃখ,সুখের কথা শোনা। আমি নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। এতে করে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

আমি আজীবন প্রিয় ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নবাসীর পাশে আমৃত্যু সেবক হয়ে  থাকতে চাই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতরপূর্বতন